দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যের তেল জোট ও পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক এবং এর সহযোগী জোট ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এ ঘোষণা আসে, যা তেল রপ্তানিকারক জোটগুলোর জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময় এলো, যখন ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি চাপে রয়েছে। একই সঙ্গে তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়েও সংকট দেখা দিয়েছে। ইরানের হুমকি ও হামলার কারণে ওই পথ দিয়ে স্বাভাবিক রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে, যেখানে বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ওপেক ‘বিশ্বকে শোষণ করছে’ এবং কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও তারা উচ্চ তেলের দাম ধরে রেখে সেই সুবিধা কাজে লাগাচ্ছে।
এদিকে যুদ্ধ চলাকালে ইরানের একাধিক হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ায় আরব দেশগুলোর ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস সোমবার গালফ ইনফ্লুয়েন্সার্স ফোরামে বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলো একে অপরকে লজিস্টিকভাবে সহায়তা করলেও রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে তাদের অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে দুর্বল।
তিনি আরও বলেন, আরব লীগের দুর্বল প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশিত হলেও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের অবস্থান তাকে বিস্মিত করেছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
/অ